3 প্রকৃত দুস্থ বিধবাদের যথাযথ স্বীকৃতি দিয়ো। 4 কিন্তু কোনো বিধবার যদি সন্তানসন্ততি বা নাতি-নাতনি থাকে, তবে তাদের প্রথম দায়িত্ব হল নিজেদের বাড়িতে তাদের পরিবারের তত্ত্বাবধান করা এবং তাদের বাবা-মা ও দাদু-দিদার প্রতি ঋণ পরিশোধ করা। এভাবেই তারা তাদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন করবে এবং তা ঈশ্বরের চোখে সন্তোষজনক। 5 যে বিধবা প্রকৃতই নিঃস্ব ও একেবারেই নিঃসঙ্গ, সে ঈশ্বরের উপরেই প্রত্যাশা রাখে এবং দিনরাত প্রার্থনায় রত থেকে ঈশ্বরের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। 8 কেউ যদি তার আত্মীয়স্বজনের, বিশেষত পরিবারের আপনজনদের ভরণ-পোষণ না করে, সে বিশ্বাস অস্বীকার করেছে এবং অবিশ্বাসীর চেয়েও নিকৃষ্ট প্রতিপন্ন হয়েছে।
9 তাঁরই নাম বিধবাদের তালিকাভুক্ত হবে, যাঁর বয়স ষাট বছরের বেশি এবং যিনি তাঁর স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন;
14 তাই অল্পবয়স্ক বিধবাদের প্রতি আমার উপদেশ: তারা বিবাহ করুক, সন্তানের জন্ম দিক, তাদের গৃহের দেখাশোনা করুক এবং মিথ্যা কলঙ্ক দেওয়ার কোনো সুযোগ যেন শত্রুকে না দেয়।
16 বিশ্বাসী কোনো মহিলার পরিবারে যদি বিধবারা থাকে, তাহলে সে তাদের সাহায্য করুক, তাদের জন্য মণ্ডলীকে যেন দায়িত্বভার নিতে না হয়; সেক্ষেত্রে যে বিধবারা সত্যিসত্যিই দুস্থ, মণ্ডলী তাদের সাহায্য করতে পারবে।