11 তাহলে, প্রভুকে ভয় করার অর্থ কী, তা আমরা জানি; সেই কারণে আমরা সব মানুষকে তা বোঝানোর চেষ্টা করি। আমরা যে কী প্রকার, তা ঈশ্বরের কাছে স্পষ্ট। আমি আশা করি, তোমাদের বিবেকের কাছেও তা স্পষ্ট। 12 আমরা আবার তোমাদের কাছে নিজেদের প্রশংসা করার চেষ্টা করছি না, কিন্তু আমাদের জন্য তোমাদের গর্ব করার একটি সুযোগ দিচ্ছি, যেন যারা অন্তরের বিষয় নিয়ে গর্বিত না হয়ে বাহ্যিক প্রদর্শন নিয়ে গর্ব করে, তোমরা তাদের উত্তর দিতে পারো। 13 যদি আমরা উন্মাদ হয়েছি, তাহলে তা ঈশ্বরের জন্যই হয়েছি; যদি আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় আছি, তাহলে তা তোমাদেরই জন্য। 14 কারণ খ্রীষ্টের প্রেম আমাদের বাধ্য করেছে এবং আমরা নিশ্চিত যে, একজন যখন সকলের জন্য মৃত্যুবরণ করলেন, সেই কারণে সকলেরই মৃত্যু হল। 15 আর তিনি সকলের জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন, যেন যারা জীবিত আছে, তারা আর যেন নিজেদের জন্য জীবনধারণ না করে, কিন্তু তাঁর জন্য করে, যিনি তাদের জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন ও পুনরায় উত্থাপিত হয়েছেন।
16 তাই, এখন থেকে জাগতিক মানদণ্ড অনুসারে আমরা কাউকে জানি না। যদিও খ্রীষ্টকে আমরা জাগতিক মানদণ্ড অনুসারে জানতাম, কিন্তু এখন আর জানি না। 17 অতএব, কেউ যদি খ্রীষ্টে থাকে, সে এক নতুন সৃষ্টি; পুরোনো বিষয় সব অতীত হয়েছে, দেখো সব নতুন হয়ে উঠেছে। 18 এসবই ঈশ্বর থেকে হয়েছে, যিনি খ্রীষ্টের মাধ্যমে তাঁর নিজের সঙ্গে আমাদের পুনর্মিলিত করেছেন এবং পুনর্মিলনের সেই পরিচর্যা আমাদের দিয়েছেন। 19 তা হল এই যে, ঈশ্বর জগৎকে খ্রীষ্টের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে পুনর্মিলিত করছিলেন, মানুষের পাপসকল আর তাদের বিরুদ্ধে গণ্য করেননি। আর সেই পুনর্মিলনের বার্তা ঘোষণা করা তিনি আমাদের উপর ন্যস্ত করেছেন। 20 অতএব, আমরা খ্রীষ্টের রাজদূত, ঈশ্বর যেন আমাদের মাধ্যমে তাঁর আবেদন জানাচ্ছিলেন। আমরা খ্রীষ্টের পক্ষে তোমাদের কাছে এই মিনতি করছি, ঈশ্বরের সঙ্গে পুনর্মিলিত হও। 21 যিনি পাপ জানতেন না, ঈশ্বর তাঁকে আমাদের পক্ষে পাপস্বরূপ করলেন, যেন আমরা তাঁর দ্বারা ঈশ্বরের ধার্মিকতাস্বরূপ হতে পারি।